এবারের দুর্গাপূজায় নানা ধরনের প্রতিকূলতার আশঙ্কা তৈরি হলেও সরকার, রাজনৈতিক দল ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকার কারণে সেটা ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে বিজন কান্তি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কিছু কিছু প্রতিকূলতা তৈরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়েছিল। দেশের এ বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ বিষয়ে সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সরকার, রাজনৈতিক দল ও পুলিশ, প্রশাসনের ভূমিকায় সে আশঙ্কা ঠেকিয়ে দেওয়া গেছে।
দুর্গাপূজায় প্রতিকূলতার আশঙ্কা ছিল, সবার সহযোগিতায় সেটা ঠেকানো গেছে: বিজন কান্তি সরকার
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আজ শুক্রবার বিকেলে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আজ শুক্রবার বিকেলে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাছবি: প্রথম আলো
এবারের দুর্গাপূজায় নানা ধরনের প্রতিকূলতার আশঙ্কা তৈরি হলেও সরকার, রাজনৈতিক দল ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকার কারণে সেটা ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে বিজন কান্তি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কিছু কিছু প্রতিকূলতা তৈরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়েছিল। দেশের এ বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ বিষয়ে সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সরকার, রাজনৈতিক দল ও পুলিশ, প্রশাসনের ভূমিকায় সে আশঙ্কা ঠেকিয়ে দেওয়া গেছে।
সরকারের কর্মকাণ্ডে হিন্দুদের অংশগ্রহণ কমে যাচ্ছে অভিযোগ করে বিজন কান্তি সরকার বলেন, যখন যে সরকার আসবে তার সঙ্গে কথা বলতে হবে। ভোটেও ভূমিকা থাকতে হবে। বারবার গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে। গণতন্ত্র না এলে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কেউ ভালো থাকতে পারবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশিষ পাল বলেন, কিছু অসুর শান্তির পরিবেশকে বিনষ্ট করার চেষ্টা করে। ফ্যাসিবাদের জন্ম দেয়। তখন মা দুর্গার আগমন ঘটে অসুরকে বিনাশ করার জন্য।
সত্য ও ন্যায় সেটা যে–ই বলুক, তার পক্ষে থাকা ধর্মের শিক্ষা বলে উল্লেখ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান আবু সায়েম। তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দেশে সংখ্যালঘিষ্ঠ মানুষ যদি নিরাপদ থাকে, সেটাই সুন্দর সমাজ।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শান্টু বড়ুয়া বলেন, ‘দেবীদুর্গার পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিল দুর্গতি নাশ করতে। সমাজে প্রতিনিয়ত হানাহানি, হিংসা, বিদ্বেষ, দুর্গতির কোনো শেষ নেই। দেবীদুর্গার শিক্ষা নিয়ে আমরা যদি দশ হাত একত্র করে যেকোনো দুর্গতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারি, তাহলে এ দুর্গতি নাশ করা সম্ভব।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ডি রোজারিও বলেন, এ বছর দুর্গাপূজা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সমাজের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন হিসেবে কাজ করে যেতে পারে সর্বজনীন এ পূজা।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক তাপস চন্দ্র পাল, চকবাজার থানা বিএনপির নেতা হাজি সেলিম আহমদ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে রাজধানীর ৫১ থানা থেকে পূজা কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের নৈপুণ্য প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকেল সোয়া চারটার দিকে। এরপর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের পুরোহিত মিলন চক্রবর্তী পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করে শোনান। পরে নৃত্য পরিবেশন করে স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠী। অনুষ্ঠান শেষে এবারের পূজামণ্ডপের সাজসজ্জা, প্রতিমা ও প্রকাশনায় যারা শ্রেষ্ঠ হয়েছে, তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রতিমা, সাজসজ্জা ও প্রকাশনায় বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হয়।
জাতীয়
দুর্গাপূজায় প্রতিকূলতার আশঙ্কা ছিল, সবার সহযোগিতায় সেটা ঠেকানো গেছে: বিজন কান্তি সরকার
October 18, 2025
12 Views
Create a Social Card
Convert this news into a shareable image card instantly.