সুজন কুমার রায়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হরিকেশ আদি কালী মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কালী পূজা অনুষ্টিত। ঐতিহ্যবাহী এই “হরিকেশ আদি কালী মন্দির নামটি শুধু একটি স্থানের পরিচয় নয়—এটি বহু প্রজন্মের বিশ্বাস, স্মৃতি এবং আধ্যাত্মিক অনুভূতির এক গভীর প্রতিচ্ছবি। প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো — এই আদি কালী মন্দির মানুষের ভক্তি, প্রার্থনা ও গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অমূল্য প্রতীক। যুগের পর যুগ ধরে এখানে অসংখ্য মানুষ এসে তাদের মনের আশা-আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ-কষ্ট এবং মানদ করে থাকেন। স্থানীয় ভাবে এই পূজায় ছাগল পাটা ও কবুতর উৎসর্গ করে তাদের মানত পূরণ করে থাকেন। এটি শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়—এটি মানুষের বিশ্বাস, ভরসা এবং জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ। গ্রামের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীরাও এখানে আসে—মানত নিয়ে, এই স্থানটি যেন এক মিলনমেলা, যেখানে ধর্ম, সংস্কৃতি ও মানুষের আবেগ এক সুতোয় গাঁথা।। এই মেলাকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষজন ভিড় জমাচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব এই কালি পূজায় অংশ গ্রহণ করেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এই সুন্দর আয়োজনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, আহ্বায়ক, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি। আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ,প্রশাসক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ ও সদস্য সচিব, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি। হাসিবুর রহমান হাসিব, যুগ্ম আহ্বায়ক, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি।সুভাষ সরকার, আহবায়ক, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা। বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্ট কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।