প্রমী সেন

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেছেন, আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নীতিশিক্ষা সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল নয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় চেতনার বিকাশের মাধ্যমেই একজন মানুষ প্রকৃত অর্থে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে ধর্মীয় শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে পটিয়া পৌরসদরের বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) আয়োজিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় পটিয়া ক্লাব প্রাঙ্গণে।

সম্মেলনে উদ্বোধক ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ঝুন্টু চৌধুরী। মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন করেন শ্রীমৎ স্বামী রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ এবং আশীর্বাদ প্রদান করেন শ্রীমৎ পরিতোষানন্দ মহারাজ। ধর্মীয় আলোচনা উপস্থাপন করেন শ্রীমৎ রণনাথ ব্রহ্মচারী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রয়া ত্রিপুরা, পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক, পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবু তাহের, পটিয়া ক্লাবের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক এবং পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মঈনুল আলম ছোটন।

প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক দক্ষিণ জেলা সংসদের সভাপতি পুলক কান্তি চৌধুরী। দেবাশীষ ধর বাপনের সভাপতিত্বে এবং অ্যাডভোকেট সঞ্জয় দে ও জুয়েল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাগীশিক দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক সুজন মজুমদার, সহ-সভাপতি শ্যামল বৈদ্য সবুজ ও প্রদীপ কান্তি চৌধুরী, সহ-সম্পাদক রুপক কান্তি ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিশন দত্ত সপু, সহ-অর্থ সম্পাদক উৎপল চৌধুরী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক নিমাই সিংহ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. অনিক দে যিশু, সহ-দপ্তর সম্পাদক মিন্টু কান্তি দে এবং নির্বাহী সদস্য বিদ্যুৎ কুমার দে ও লিটন কান্তি পাল।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শিক্ষিকা মিতা দাশ, পটিয়া উপজেলা পূজা পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ দে ও সাধারণ সম্পাদক মান্না কুমার দেব, যুব মহাজোটের সভাপতি লিটন মজকুরী এবং জাগো হিন্দু পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণমনি আচার্য। স্বাগত বক্তব্য দেন পলাশ চক্রবর্তী এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রিয়তোষ সরকার।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের সর্বসম্মতিক্রমে দেবাশীষ ধর বাপন-কে সভাপতি, অ্যাড. সঞ্জয় দে-কে সাধারণ সম্পাদক এবং চন্দন বিশ্বাস-কে নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত করা হয়।