চ্যানেল ওম নিউজ ডেস্ক

সনাতনী ছাত্র ও যুবসমাজকে ধর্মীয় শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বিশ্ব হিন্দু মহাসভা বাংলাদেশ।

সংগঠনটির জাতীয় কমিটির উদ্যোগে নেওয়া এসব কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু ধর্মীয় চেতনা বিকাশ নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বাস্তবমুখী নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামী দিনের সনাতনী সমাজকে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা।

বিশ্ব হিন্দু মহাসভা বাংলাদেশ-এর জাতীয় কমিটির সভাপতি শ্রী বরুণ চন্দ্র সরকার বলেন, “শুধু নেতা তৈরি নয়, আমরা আগামী প্রজন্মের যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই। ধর্মীয় শিক্ষা যেমন একজন মানুষকে আদর্শবান করে, তেমনি তথ্যপ্রযুক্তি তাকে বিশ্বদরবারে প্রতিযোগিতার যোগ্য করে তোলে।”

তিনি বলেন, সনাতনী ছাত্র ও যুবকদের এমনভাবে গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য, যাতে তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ ধারণের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করে দেশ ও বিশ্বের সনাতনী সমাজের কল্যাণে নেতৃত্ব দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দেশ প্রধান শ্রী মৃদুল মন্ডলের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য সাফল্য প্রশংসার দাবি রাখে। তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনা ও নিরলস প্রচেষ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সনাতনী সংগঠন ও নেতৃত্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও সমন্বয় তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বরুণ চন্দ্র সরকার বলেন, তরুণদের প্রতি আস্থা রেখেই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। তাঁর ভাষায়, “তরুণ সামনে, প্রবীণ পাশে”—এই দর্শনই আগামী দিনের শক্তিশালী সংগঠনের ভিত্তি।

জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ প্রদ্যোৎ কুমার ঘোষ বলেন, “বর্তমান যুগে যে সমাজ প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকবে, সে সমাজ নেতৃত্বেও পিছিয়ে পড়বে। তাই ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ, নৈতিকভাবে দৃঢ় এবং আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত একটি সনাতনী যুবসমাজ গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, দেশ প্রধান শ্রী মৃদুল মন্ডলের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, তা সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তাঁর নিরলস পরিশ্রম, সুসংগঠিত পরিকল্পনা ও বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ের প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে সনাতনী সমাজের জন্য আরও বিস্তৃত সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ডাঃ প্রদ্যোৎ কুমার ঘোষ বলেন, প্রতিটি তরুণকে শুধু সংগঠনের সদস্য হিসেবে নয়, বরং সনাতন সমাজের একজন দক্ষ, দায়িত্বশীল ও বিশ্বমানের প্রতিনিধি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে বিনামূল্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ, সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয় জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে সনাতনী ছাত্র ও যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং বৈশ্বিক সংযোগ সম্প্রসারণে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।