মাদরাসা সম্প্রসারণে শতবর্ষী হিন্দু মন্দির ভাঙার অভিযোগ পাকিস্তানে
পাকিস্তানের নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। গত ২১ আগস্টের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষায় কাজ করা পাকিস্তান মসীহা মিল্লাত পার্টি (পিএমএমপি) অভিযোগ করেছে, পাশের একটি মাদরাসার পরিসর বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ভাঙার পর মন্দিরের ইট, গম্বুজসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীও সরিয়ে নেওয়া হয়।
পিএমএমপির চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রার ভাষ্য, মন্দিরসংলগ্ন একটি জমি আগে মাদরাসাটিকে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। তবে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেই ইজারা বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে জমিটি অবৈধ দখলমুক্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ইতোমধ্যে পাঞ্জাব সরকারের কাছে আবেদন করেছে পিএমএমপি।
তবে মন্দির ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড (ইটিপিবি)। সংস্থাটির কর্মকর্তা ইফতিখার রানা বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে জরাজীর্ণ মন্দিরের কাঠামো ধসে পড়েছে; এটি কেউ পরিকল্পিতভাবে ভাঙেনি।
তিনি আরও জানান, মন্দিরের নিজস্ব জমি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া হয়নি। শতবর্ষী স্থাপনাটি পুনরায় সংস্কারের বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
Create a Social Card
Convert this news into a shareable image card instantly.