৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি: চারদিন পর ক্যামব্রিয়ান কলেজের শিক্ষার্থী সুদীপ্তর মরদেহ উদ্ধার!
সুদিৎপ রায় বারিধারার ক্যামব্রিয়ান কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তিনি ভাটারার শহীদ আব্দুল আজিজ সড়কে কলেজের হোস্টেলে থাকতেন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে টাঙ্গাইলের মধুপুরে পালিয়ে গিয়েছিল। গ্রেফতারকৃতদের ঢাকায় আনা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
শাহ আলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুলতান মাহমুদ বলেন, “সুদীপ্ত রায়ের মরদেহ একটি ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহের সুরতহাল প্রক্রিয়া চলছে। কীভাবে হত্যা করা হয়েছে তা পরে জানানো হবে।”
ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সুদীপ্ত বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন। তার বাবা হিমাংশু কুমার রায় ৮ নভেম্বর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। আমরা দ্রুত তদন্ত শুরু করি। হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুইজনকে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”
জানা যায়, ৭ নভেম্বর রাত ২:৪০ মিনিটের দিকে অজ্ঞাত পরিচয়ের একজন ব্যক্তি সুদীপ্তের মাকে ফোন করে হুমকি দেন যে, ৮০ লাখ টাকা না দিলে ছেলে হত্যা করা হবে। ফোনে পুলিশ বা অন্য কাউকে জানানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরদিন দুপুরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একই মুক্তিপণ দাবির কথা পুনরায় জানানো হয়।
সুদীপ্ত রায়ের বাবা হিমাংশু কুমার রায় জানান, “ফোনে বারবার মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছিল। এক ঘণ্টা পর আরও ফোন আসার কথা ছিল। আমাদের পরিবার ভয়ভীতিতে দিন কাটাচ্ছিল।”
Create a Social Card
Convert this news into a shareable image card instantly.